‘শোভন কই?’, প্রাক্তনের প্রসঙ্গ টেনে ট্রোল করতেই মোক্ষম জবাব দিলেন ইমন চক্রবর্তী

ইতিমধ্যেই গত ২ ফেব্রুয়ারি সিঁদুর দান পর্ব মিটেছে সিঙ্গিং স্টার ইমন চক্রবর্তীর। উল্লেখ্য, সামাজিক মতে বিয়ের আগেই তাঁরা আইনীমতে বিয়ে সেরে নিয়েছিলেন। সেদিনও ইনস্টাগ্রাম ছবি দিয়েই ক্যাপশনেও লিখেছিলেন ‘just married’ অর্থাৎ আপাততঃ সামাজিক নিয়মের আগেই আইনী মতে বিয়ে করে নিয়েছেন এই জুটি। এরপর সেই বিয়ে সামাজিক মর্যাদাও পেয়ে গিয়েছে গত ২ ফেব্রুয়ারিতেই। শীলমোহর এই গায়ক জুটির সম্পর্ক। চার হাত এক হয়ে গিয়েছে তাঁদের।

ইমনের এই শাড়ি তৈরি করেছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার অভিষেক রায়। বৈদিক মন্ত্রধ্বনি উচ্চারণের মধ্য দিয়ে সিঁদুরদান সেরে, সাত পাক ঘুরে বিয়ে সম্পন্ন করেছিলে এই জুটি। খুব বেশি জাঁকজমক না হলেও আত্মীয় সজন ও কাছের বন্ধু বান্ধবদের নিয়েই বিয়ের অনুষ্ঠান সারেন তিনি। তাঁর বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন সস্ত্রীক পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রী মানালি দে, গায়িকা শ্রাবণী সেন, উপল সেনগুপ্ত সহ অনেকে তারকারা। বলতে গেলে একেবারে চাঁদের হাট বসেছিল সেইদিন।

ছিলেন জি বাংলা খ্যাত রিয়েলিটি শো সা রে গা মা পা গত বছরের প্রতিযোগী দুর্নিবার, উজ্জয়নী,অভিষেক রায়ও। তাদের সঙ্গে ইমন-নীলাঞ্জন চুটিয়ে গ্রুপফি তুলতেও ভোলেননি তাঁরা। ব্যস! এই গ্রুপফি ফেসবুক পোস্ট করতেই ইমন পড়েন কটাক্ষের মুখে। এক জনৈক লেখেন- ‘দুর্নিবার আছে, শোভন কই?’

কিন্তু দমে যাওয়ার পাত্রী নন ইমনও। সপাট মুখের ওপর কষিয়ে জবাব দিয়েছেন ওই নেটনাগরিককে। তিনি লেখেন- শোভন বাড়িতে আছে দাদা। যদিও এই প্রথম নয় বিয়ের আগে ইমন-নীলাঞ্জনের একগুচ্ছ ছবিতে বিভিন্ন নীতি বিরোধী কথা শুনতে হয়েছিল ইমনকে। তবে কিছুতেই এসে যায় না তাঁর কিছু সেটাও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

অন্য দিকে বিয়ের রেশ শেষ না হতেই তিনি ফিরে গিয়েছেন নিজের প্রফেশনাল জীবনে। বিয়ের পরেই প্রথম অনুষ্ঠান করেন তিনি জঙ্গিপাড়ায়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি জঙ্গিপাড়া বইমেলায় গানের অনুষ্ঠান ছিল ইমনের। সেই অনুষ্ঠানের বিভিন্ন মূহূর্তের ছবি তিনি পোস্টও করেছিলেন তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ-এ। সেই ছবি দেখেও কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি সমাজমাধ্যমের নিজের ছবির কমেন্ট বক্সে।

কেউ কেউ সেখানে লেখেন, ‘দারুন লাগছে সিঁদুরটা পড়ে। তবে হাতে অন্তত ১ মাস শাখা পলা থাকলে খুব ভালো দেখাত। বিবাহিত জীবন খুব খুব ভাল কাটুক সেই কামনা রইল।’ আরেকজন লেখেন, ‘যতই সেলিব্রিটি হোক, আদতে তো বাঙালি। শাঁখা-পলাটা পড়া উচিৎ ছিল। নতুন বিয়ে বলে কথা। খুব ভাল থাকবেন আর বিবাহিত জীবন খুব সুখের হোক।’ সেখানেও গায়িকার উচিত জবাবে দমে গিয়েছেন একেবারে নেটনাগরিকরা।

Check Also

বাড়ি তৈরির কাজ প্রসঙ্গে সংবাদে বিব্রত সানাই

‘আমার বাবা একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম)। তার নিজস্ব অর্থায়নে রংপুরে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তিতে …