মা’কে বাঁচাতে দুটি অ’বুঝ শিশুর আ’বেগঘন আ’কুতি!

আমা’দের মা’কে আপনারা বাঁচান। আমা’দের মা সারাদিন খালি কাঁদে। আমা’দের সাথে ঠিকমতো কথা বলে না। মাঝে মাঝে পেটের তিব্র যন্ত্রনায় ছটফট করে আর ডুকরে ডুকরে কাঁদে! আর মায়ের এসব কষ্ট দেখে মায়ের সাথে অঝরে কাঁদে অবুঝ দুই শিশু মেরাজ ও সিয়াম। এখন একমাত্র কান্নাই যেনো মা ও মাছুম বাচ্চাদুটোর একমাত্র সম্বল।

বলছি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজে’লার বামনের ভিটা গ্রামের অসুস্থ মাহিনুর বেগমের কথা। মাহিনুর বেগম জটিল রোগ ল্যাপরাটমী রোগে আ’ক্রা’ন্ত।

কুড়িগ্রামের ডাক্তাররা এ জটিল অ’পারেশন করার সাহস পাচ্ছেন না। তারা রংপুরে গিয়ে অ’পারেশনটি করার পরামর’্শ দিয়েছেন। রোগটি স্পর্শকাতর ও বিপদজনক জায়গায় হওয়ায় ডাক্তার আজ থেকে ১ বছর আগে অ’পারেশন করতে বলে। ডাক্তার আরও আশংকা প্রকাশ করে বলেন অ’পারেশন না করতে পারলে রোগটা মর’ণব্যাধী ক্যান্সারে পরিণত হয়ে যেতে পারে। এবং অ’পারেশনের জন্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা লাগবে বলে জানায়।

কিন্তু যেখানে দরিদ্র মাহিনুর বেগমের স্বামী দু’বেলা দু-মুঠো ভাত জোগাড় করতেই হিমসিম খায় সেখানে ৭৫ হাজার টাকা যোগাড় করা প্রায় স্বপ্নের মতোই ব্যাপার। তাই অসহায়ত্বকে পুঁজি করে আল্লাহপাকের উপর সব ছেড়ে দিয়ে নিরবে নিভৃতে কাঁদা ছাড়া আর কি ই বা করতে পারে মাহিনুর বেগমের পরিবার ? ল্যাপরাটমী অ’পারেশন না করায় ও নিয়মিত ঔষুধ খেতে না পারায় পেটের তিব্র ব্যাথায় পাগলের মতো বিছানায় ছটফট করে কা’টায় মাহিনুর বেগম। পেটের ব্যাথা উঠলে তার চিৎকার ও কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার আকাশ বাতাস।

মাহিনুর বেগমের দুই শিশু মেরাজ ও সিয়াম সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হলে তারা অঝরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমা’দের মা’কে আপনারা বাঁচান। আমা’দের মা সারাদিন মন খারাপ করি থাকে, খালি কাঁদে, ব্যাথায় চিৎকার করে, আমা’দের সাথে ঠিকমতো কথা বলে না কিছু খেতে পারে না। আপনারা আমা’দের মাকে বাঁচান। আমা’দের মা মর’ে গেলে আমর’া কিভাবে বাঁচবো?

মাহিনুর বেগম চোখের পানি মুছতে মুছতে খুব কষ্ট করে এ প্রতিবেদককে বলেন, বাঁ’চার আশা একপ্রকার ছাড়ি দিচং! পেটটাতে সারাদিন অসহ্য যন্ত্রনা করে এছাড়া জরায়ুমুখে প্রচন্ড কামড়া কামড়ি করে। এখন কয়েকদিন থাকি আরও বেশি হইছে। আর সহ্য করবের পাংনা। এতো কষ্টের চেয়ে মোর মর’ণ ভালো!! তিনি আরও প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন মুই মর’লে মোর অবুঝ ছওয়া(বাচ্চা) দুই টার কি হবে ?? ছওয়া (বাচ্চা) দুইটার জন্য বাঁচপার চাং। বাচ্চাদুইটাকে জড়িয়ে ধরে অঝোড়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেন ”মুই মর’লে মোর মাসুম বাচ্চা দুইটা যে এতিম হবে !

প্রতিবেদকের দু’টি কথাঃ আমি অসুস্থ মাহিনুর ও তার বাচ্চাদের করুন আকুতি শুনে অ’পারেশন করানোর চেষ্টা করছি। আগামী ২ নভেম্বর/২০২০ সোমবার মাহিনুর বেগমকে অ’পারেশনের জন্য রংপুরে নিয়ে যাব’ো। কিন্তু অ’পারেশনে তো প্রায় ৭৫ হাজার টাকা লাগবে। এ ক্ষেত্রে আমি দেশ বিদেশের সকল হৃদয়বার ও বিত্তবান মানুষের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, মাসুম বাচ্চাদুটোর মাকে বাঁচাতে আসুন যে যার অবস্থান থেকে সামর’্থমত এগিয়ে আসি। জয় হোক মানবতার, শিশুদুটো ফিরে পাক তাদের সুস্থ মাকে- মানুষ মানুষের জন্য-

অসুস্থ মাহিনুর বেগমের পাশে দাড়াতে তার ব্যাক্তিগত হিসাব নং- ২০৫০৭৭৭০২৬৩০০৮১০৮, হিসাবের নাম-মোছঃ মাহিনুর বেগম, ব্যাংকের নাম-ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, এজেন্ট ব্যাংকিং কুড়িগ্রাম।

আরও তথ্য ও ইমো, ভাইবার,হোয়ার্টসএপে ভিডিও কলে মাহিনুর বেগমের সাথে কথা বলতে আমা’দের ষ্টাফ রিপোর্টার প্রভাষক ফয়সাল শামীম-০১৭১৩২০০০৯১।আমা’দের মা’কে আপনারা বাঁচান। আমা’দের মা সারাদিন খালি কাঁদে। আমা’দের সাথে ঠিকমতো কথা বলে না। মাঝে মাঝে পেটের তিব্র যন্ত্রনায় ছটফট করে আর ডুকরে ডুকরে কাঁদে! আর মায়ের এসব কষ্ট দেখে মায়ের সাথে অঝরে কাঁদে অবুঝ দুই শিশু মেরাজ ও সিয়াম। এখন একমাত্র কান্নাই যেনো মা ও মাছুম বাচ্চাদুটোর একমাত্র সম্বল।

বলছি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজে’লার বামনের ভিটা গ্রামের অসুস্থ মাহিনুর বেগমের কথা। মাহিনুর বেগম জটিল রোগ ল্যাপরাটমী রোগে আ’ক্রা’ন্ত।

কুড়িগ্রামের ডাক্তাররা এ জটিল অ’পারেশন করার সাহস পাচ্ছেন না। তারা রংপুরে গিয়ে অ’পারেশনটি করার পরামর’্শ দিয়েছেন। রোগটি স্পর্শকাতর ও বিপদজনক জায়গায় হওয়ায় ডাক্তার আজ থেকে ১ বছর আগে অ’পারেশন করতে বলে। ডাক্তার আরও আশংকা প্রকাশ করে বলেন অ’পারেশন না করতে পারলে রোগটা মর’ণব্যাধী ক্যান্সারে পরিণত হয়ে যেতে পারে। এবং অ’পারেশনের জন্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা লাগবে বলে জানায়।

কিন্তু যেখানে দরিদ্র মাহিনুর বেগমের স্বামী দু’বেলা দু-মুঠো ভাত জোগাড় করতেই হিমসিম খায় সেখানে ৭৫ হাজার টাকা যোগাড় করা প্রায় স্বপ্নের মতোই ব্যাপার। তাই অসহায়ত্বকে পুঁজি করে আল্লাহপাকের উপর সব ছেড়ে দিয়ে নিরবে নিভৃতে কাঁদা ছাড়া আর কি ই বা করতে পারে মাহিনুর বেগমের পরিবার ? ল্যাপরাটমী অ’পারেশন না করায় ও নিয়মিত ঔষুধ খেতে না পারায় পেটের তিব্র ব্যাথায় পাগলের মতো বিছানায় ছটফট করে কা’টায় মাহিনুর বেগম। পেটের ব্যাথা উঠলে তার চিৎকার ও কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার আকাশ বাতাস।

মাহিনুর বেগমের দুই শিশু মেরাজ ও সিয়াম সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হলে তারা অঝরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমা’দের মা’কে আপনারা বাঁচান। আমা’দের মা সারাদিন মন খারাপ করি থাকে, খালি কাঁদে, ব্যাথায় চিৎকার করে, আমা’দের সাথে ঠিকমতো কথা বলে না কিছু খেতে পারে না। আপনারা আমা’দের মাকে বাঁচান। আমা’দের মা মর’ে গেলে আমর’া কিভাবে বাঁচবো?

মাহিনুর বেগম চোখের পানি মুছতে মুছতে খুব কষ্ট করে এ প্রতিবেদককে বলেন, বাঁ’চার আশা একপ্রকার ছাড়ি দিচং! পেটটাতে সারাদিন অসহ্য যন্ত্রনা করে এছাড়া জরায়ুমুখে প্রচন্ড কামড়া কামড়ি করে। এখন কয়েকদিন থাকি আরও বেশি হইছে। আর সহ্য করবের পাংনা। এতো কষ্টের চেয়ে মোর মর’ণ ভালো!! তিনি আরও প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন মুই মর’লে মোর অবুঝ ছওয়া(বাচ্চা) দুই টার কি হবে ?? ছওয়া (বাচ্চা) দুইটার জন্য বাঁচপার চাং। বাচ্চাদুইটাকে জড়িয়ে ধরে অঝোড়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেন ”মুই মর’লে মোর মাসুম বাচ্চা দুইটা যে এতিম হবে !

প্রতিবেদকের দু’টি কথাঃ আমি অসুস্থ মাহিনুর ও তার বাচ্চাদের করুন আকুতি শুনে অ’পারেশন করানোর চেষ্টা করছি। আগামী ২ নভেম্বর/২০২০ সোমবার মাহিনুর বেগমকে অ’পারেশনের জন্য রংপুরে নিয়ে যাব’ো। কিন্তু অ’পারেশনে তো প্রায় ৭৫ হাজার টাকা লাগবে। এ ক্ষেত্রে আমি দেশ বিদেশের সকল হৃদয়বার ও বিত্তবান মানুষের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, মাসুম বাচ্চাদুটোর মাকে বাঁচাতে আসুন যে যার অবস্থান থেকে সামর’্থমত এগিয়ে আসি। জয় হোক মানবতার, শিশুদুটো ফিরে পাক তাদের সুস্থ মাকে- মানুষ মানুষের জন্য-

Check Also

বাস স্ট্যান্ডের পাশে পড়েছিল বস্তাভর্তি টাকা

নাটোরের বড়াইগ্রামে বনপাড়া বাজারে পাবনা বাস স্ট্যান্ডের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি টাকার বস্তা পাওয়া গেছে। …