ভা’রতীয় মিডিয়ায় মোশাররফ করিমের ভূয়সী প্রশংসা

ভা’রতের পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছে মোশাররফ করিম অ’ভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘ডিকশনারী’। এখানে মকর ক্রান্তি চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে অ’ভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন মোশাররফ করিম। তার অ’ভিনয়ের মুগ্ধ প্রশংসা করেছে ভা’রতীয় মিডিয়া।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ সিনেমায় নজর কেড়েছেন মকর ক্রান্তির ভূমিকায় মোশাররফ করিম।

কলোনিয়াল হ্যাংওভা’র কাটিয়ে উঠতে না পারা মকরের অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ছে’লেকে ইঞ্জনিয়ার বানানোর মধ্যবিত্ত বাসনা ও ইংরেজি ভাষা বেগতিক হয়েও তা রপ্ত করার আপ্রা’ণ চেষ্টা কখনো হাসির উদ্রেক করে, কখনো করুণার- সবটাই মোশাররফ ব্যক্ত করেছেন সমান দক্ষতায়।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, বাংলাদেশি অ’ভিনেতা মোশারফ করিম ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অ’ভিনয় করেছেন।

ছবিতে সমান্তরালে চলে দুই পরিবারের কাহিনী। একদিকে থাকে ঢালাই ব্যবসাদার মকর ক্রান্তি চট্টোপাধ্যায় (মোশারফ করিম), তার স্ত্রী’ শ্রীমতি (পৌলমী বসু) ও পুত্র রাকেশ (সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়) সমেত রাজারহাটের ঝাঁ চকচকে অট্টালিকায় এক পুরোদস্তুর শহুরে জীবন।

অন্যদিকে বন বিভাগের চাকরিসূত্রে পুরুলিয়ার বরাভূমের অশোক (আবির চট্টোপাধ্যায়) আর তার স্ত্রী’ স্মিতা (নুসরত জাহান) এবং মে’য়ে চানুর প্রকৃতির কোলে নিভৃত জীবন। এই দুই পরিবারের মধ্যে এক অদ্ভুত সংযোগ হল সুমন (অর্ণ মুখোপাধ্যায়)- পারিবারিক সূত্রে শ্রীমতির ভাই, আবার পড়াশোনার সূত্রে অশোকের কলেজের জুনিয়র।

বরাভূমের এক কলেজের ইংরেজি অধ্যাপক সুমনের সঙ্গে স্মিতার পর’কী’য়া স’ম্পর্ক নাড়িয়ে দেয় অশোক-স্মিতার পারিবারিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ছক। ছবিতে যোগ করে বহু’মাত্রিক সম্ভাবনা।

Check Also

বাড়ি তৈরির কাজ প্রসঙ্গে সংবাদে বিব্রত সানাই

‘আমার বাবা একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম)। তার নিজস্ব অর্থায়নে রংপুরে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তিতে …