ফুলশয্যার খাটে অপেক্ষা করছে নববধূ, বরবেশে স্বামী মগ্ন কম্পিউটারে! তুমুল ভাইরাল ছবি

এ বিশ্বে কত ধরনের ঘটনাই না ঘটে প্রতিদিন । ১৩০ কোটির দেশে কত ধরনের মানুষ… তাঁদের ভাষা আলাদা, সংস্কৃতি আলাদা, জাতি আলাদা, শখ-স্বভাব-আচার-ব্যবহার সবই আলাদা । তাই এ দেশের গলিতে গলিতে লুকিয়ে রয়েছে হরেক কিসিমের যত কাণ্ড কারখানা ।

শুধু তাই নয়, দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিদেশও এখন এসে পড়েছে হাতের মুঠোর মধ্যে । আর আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সে সমস্ত খবর নিমেষে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে । নিমেষের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে সে সব । কখনও ছবি, কখনও ভিডিও, কখনও অডিও ।

এই সমস্ত ভাইরাল খবরে বিতর্ক যেমন তৈরি হচ্ছে, তেমনই নিখাদ মজার ঘটনা আনন্দও দিচ্ছে মানুষকে । অনেক ভিডিও মানুষকে অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে, উৎসাহ দিচ্ছে, অনুপ্রাণিত করছে ।

আরো পড়ুনঃ
আপনি কি লম্বা সময় স’হবাস করতে চান? তাহলে এই পোষ্টটি অবশ্যই পড়ুন

সে’ক্স করার সময় পুরু’ষের অধিক সময় নেওয়া পুরু’ষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যেকোন পুরু’ষ ব’য়সেরর সাথে সাথে মি’লনের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে। এখানে বলে রাখতে চাই –

২৫ বছরের কম ব’য়সী পুরু’ষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মি’লন করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যাভধানে পুনরায় উ’ত্তেজিত/উত্ত’ ‘প্ত ‘হতে পারে।

২৫ এর পর ব’য়স যত বাড়বে মি’লনে পুরু’ষ তত বেশি সময় নেয়। কিন্তু ব’য়স বৃ’’দ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জা’গ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাভধানও বাড়তে থাকে।

তাছাড়া এক না’রী কিংবা একপুরু’ষের সাথে বার বার মি’লন করলে যৌ’’ন মি’লনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মি’লনে বেশি তৃ’ ‘প্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত মি’লনে একে অ’পরের শ’রীর এবং ভাললাগা/মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভ’’ঙ্গি, সু’খ দেয়া নেয়ার প’দ্ধতি ইত্যাদি সম্প’র্কে ভালভাবে অবহিত থাকে

[উল্লেখ্যঃ যারা বলেন “এক তরকারী দিয়ে প্রতিদিন খেতে ভাল লাগেনা – তাই পর না’রী ভোগের লালসা” – তাদেরকে অনুরোধ করছিঃ দয়াকরে মিথ্যাচার করবেন না। এমন যুক্তি ভিত্তিহীন। প’রকীয়া আ মা’দের সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বং’স করছে। মাত্র কয়েক মিনিটের কাম যাতনা নিবারনের জন্য আজীবনের সম্প’র্কে অবি শ্বা’সের কালো দাগ লাগাবেন কেন?

অবিবাহীত ভাই ও বোনেরা, আপানাদের কি অতটা বড় বুকের পাটা আছে – যদি বিয়ের পরে আপনি জানেন যে আপনার স্ত্রী ‘সতী’ নয় তখন তার সাথে বাকি জীবন কা’টাবেন? তাহলে কেন শুধু শুধু বিবাহ-পুর্ব মি’লনের জন্য এত ব্যকুলতা? যে ধরনের না’রীকে আপনি গ্রহন করতে পারবেন না – অথচ সেই আপনি অন্য পুরু’ষের ভবি’ষ্যৎ বধুর স’তীত্ব লু’টবেন?
দুঃখিত যদি কারো ব্যক্তি সত্বায় আ’ ঘা’ত করে থাকি।] মুল আলোচনায় আসি। বলছিলাম যৌ’’ন মি’লনে অধিক সময় দেয়ার প’দ্ধতি সমুহ নিয়ে…

প’দ্ধতি ১:- চে’পে/টি’পে (স্কুইজ) ধ’রা:
এই প’দ্ধতিটি আবি’ষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চে’পে ধ’রা প’দ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরু’ষ মনে করেন তার বী’র্য প্রায় স্থলনের পথে,

তখন সে অথবা তার স’’ঙ্গী লি’’ঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লি’’ঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বী’র্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চে’পে ধরবেন। (লি’’ঙ্গের পাশ থেকে দুই আ’’ঙ্গু’ল দিয়ে ক্লিপের মত আ’টকে ধরতে হবে।)। চা’প ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লি’’ঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌ’’ন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।

এ প’দ্ধতির ফলে হয়তো পুরু’ষ কিছুক্ষনের জন্য লি’’ঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লি’’ঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।

স্কুইজ প’দ্ধতি এক মি’লনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব প’দ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

প’দ্ধতি ২:- সংকোচন (টেনসিং):

এ প’দ্ধতি সম্প’র্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আ মর’া প্র’স্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খি’চুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চা’প দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং প’দ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আ মর’া খি’চুনী প্রয়োগ করবো – চা’প নয়।

এবার মুল বর্ননা – মি’লনকালে যখন অনুমান করবেন বী’র্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌ’’ন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শ’ক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খি’চুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বী’র্য স্থলনেরে চা’প/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌ’’ন কর্ম শুরু করুন।

সংকোচন প’দ্ধতি আপনার যৌ’’ন মি’লনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব প’দ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

প’দ্ধতি ৩:- বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে):

এ প’দ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃৎ। সাধারনত সব যুগল এ প’দ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ প’দ্ধতিতে মি’লনকালে বী’র্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লি’’ঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ সু’খ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বী’র্যের চা’প কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।

বিরাম প’দ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথম’দিকে এ প’দ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌ’’ন কার্যে নিয়মিত তারা এই প’দ্ধতির গু’নাগু’ন জানেন। মনে রাখবেন সব প’দ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

Check Also

অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি দেখিয়ে ২৮ জনকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী রোমানা!

নায়িকা রোমানা স্বর্ণাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফাঁদ পেতে এক সৌদি প্রবাসীর কাছ থেকে কোটি টাকারও …