তারেক রহমানের নিয়মিত না’রী-মা’দক সরবরাহকারী সামি!

তারেক রহমানকে নিয়ে খোদ বিএনপির নেতারাই বির’ক্ত। সিনিয়র নেতাদের অবমূ’ল্যায়ণ করা, নৈতিক স্খলনের চূড়ান্ত রূপ দেখার পর অনেকেই দলটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন অথবা নতুন দল করার কথা ভাবছেন।

সর্বময় ক্ষ’মতার অধিকারী হয়েও নিজের নেতৃত্বগুণের অভাবে দলের চেইন অব কমান্ড নি’য়ন্ত্রণ করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রা’প্ত

চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফলে তৃণমূ’ল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত অবিশ্বাস, অনাস্থা ও বিভেদ বিস্তার লাভ করেছে। এরিমধ্যে বেরিয়ে এসেছে পুরোনো সেই চাঞ্চল্যকর ত’থ্য।

সম্প্রতি আল-জাজিরার ‘অল দ্যা প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ এ মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামি। তার চেহারা দেখেই চমকে উঠেছে মিডিয়ার লোকজন।

বিশেষ করে, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত নাটক, সিনেমার স’ঙ্গে জ’ড়িত না’রী অভিনেত্রীরা। তারেক জিয়া প্রযোজিত ঐ প্রামাণ্য চিত্রে কোথাও সামির

পুরো নাম নেই। তার বৃত্তান্তও নেই। কিন্তু বাংলাদেশের মিডিয়া পাড়া তো তাকে দেখেই চিনলো। চ্যানেল ওয়ান প্রতিষ্ঠার পর সামি হয়েছিলেন ঐ চ্যানেলে

ইভেন্ট ডাইরেক্টর। তারেক জিয়ার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুন যৌথবাহিনীর কাছে দেয়া লিখিত জবানব’ন্দিতে বলেছেন ‘সামি আমার এবং তারেকের কাছে

অদিতি সেন গু’প্তকে নিয়ে আসেন। আমি জেনেছিলাম সামির ‘এক্সেল ইভেন্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। বিদেশি নায়ক নায়িকাদের সাথে তার যোগাযোগ আছে। পরে সামিকে আমি চাকরী দেই।’

এই সামির মাধ্যমেই বাংলাদেশে তারেক রহমানের গো’পন অভিসারে এসেছিলেন ভারতীয় নায়িকা শিল্পা শেঠী। তিনি দু’রাত গাজীপুরের খোয়াব ভবনে কাটিয়ে

গেছেন। মামুন এবং অদিতির বিয়ের দুজন সাক্ষী ছিলেন। একজন তারেক জিয়া অন্যজন সামি। তারেক এবং মামুনের স’ঙ্গে সামি ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন সিলভার

সেলিমের মাধ্যমে। ঐ সময়ই সামি বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেন হাঙ্গেরীতে। ২০০৬ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সামি দেশ ত্যাগ করে বুদাপেষ্ট চলে

যান। সেখানে হোটেল ব্যবসার সুবাধে আওয়ামী লীগ স’রকারের ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করেন। ঢাকা থেকে ভি আই পি কেউ ইউরোপে গেলেই তার পিছু নেন।

তার সাথে ছবি তোলেন। তারেকের স’ঙ্গে তার সম্প’র্ক সব সময় ছিলো। ডেভিড বার্গম্যানকে তারেকই সামির কথা বলেন এবং তাকে এই মিশনে ব্যবহার করতে বলেন। তারেকের নির্দেশেই সামি তৎপর হন।

বুদাপেস্টে অবস্থানকারীরা জানান, তারেকের পেইড এজেন্ট হবার কারণে সামি বিপুল অর্থ খরচ করতে পারতো। বাংলাদেশ থেকে কেউ ইউরোপে গেলেই সামি

তার পিছু নিতো। তাকে নৈশ ভোজে আমন্ত্রণ জানাতো অথবা দামি গিফট উপহার দিতো। আরো চারজন সাবেক মন্ত্রীর স’ঙ্গেও সামির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে ত’থ্য পাওয়া গেছে।

ধারনা করা হচ্ছে, তারেকের হয়েই এদের স’ঙ্গেও সামি একই ঘ’টনা ঘটিয়েছে। জানা গেছে, ইউরোপ আওয়ামী লীগের গ্রুপিং এর

সুযোগে ২০০৯ সালে সামি আওয়ামী লীগে যুক্ত হন। এখানেই হাওয়া ভবনের সামি হয়ে যান আওয়ামী লীগের অতিথিপরায়ণ কর্মী।

মূ’লত সামি এক সময় তারেক রহমানকে নিয়মিত মা’দক এবং সুন্দরী না’রী সরবরাহ করতেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

Check Also

যে কারণে ইমামের সঙ্গে প;রকীয়া করেন আসমা!

ঢাকার দক্ষিণখানের সরদারবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবদুর রহমানের (৫৪) সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন নিহত আজহারের …