কোনও ব্যক্তি নয়, যে নামে হবে ‘পদ্মা সেতু’

কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নেতার নামে নয়, নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর নামকরণ করা হবে পদ্মা নদীর নামেই। তাই নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুটি বাংলাদেশ তথা বিশ্ববাসীর কাছে ‘পদ্মা সেতু’ নামেই পরিচিত হবে।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, দেশের বৃহৎ অবকাঠামো পদ্মা সেতুর নাম কী হবে তা নিয়ে নানা মহলে চলছে আলোচনা। বিভিন্ন মহল থেকে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মওলানা ভাসানী, কবি সুফিয়া কামাল, জীবনানন্দ দাসের নাম অনুসারে সেতুর নামকরণের দাবি তোলা হচ্ছে। তবে সরকার কোনও ব্যক্তির নামে এই সেতুর নাম না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদ ও বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির পক্ষ থেকে অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নামে পদ্মা সেতুর নামকরণের দাবি জানালেও এখন পর্যন্ত এই সেতুর নামকরণ নিয়ে এমন কোনও সিদ্ধান্তই হয়নি।এ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আগেই জানিয়েছেন, পদ্মা সেতুর নাম নদীর নাম অনুসারে ‘পদ্মা সেতু’ থাকছে।\

আরও পড়ুন=দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি চিনিকল বন্ধ এবং তিনটি বন্ধের নোটিশ দেওয়ায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে কয়েকটি রাজনৈতিক দল। আখ কৃষকদের ক্ষতির দিকটি বিবেচনায় নিয়ে দলগুলোর নেতারা সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়েছেন।বুধবার (৯ ডিসেম্বর) বিকালে পৃথক-পৃথক বিবৃতিতে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) শীর্ষ নেতারা এই দাবি জানান।

রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি চিনিকলে আখ মাড়াই বন্ধের সরকারি ঘোষণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। দলের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, ‘আখ কাটার ভরা মৌসুমে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল- পাবনা সুগারমিল, শ্যামপুর সুগারমিল, পঞ্চগড় সুগারমিল, সেতাবগঞ্জ সুগারমিল, রংপুর সুগারমিল ও কুষ্টিয়া সুগারমিলে আখ মাড়াই ও উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মৌসুমের মাঝখানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের এই পদক্ষেপের ফলে লাখ লাখ একর জমিতে উৎপাদিত আখ নিয়ে দেশের আখ চাষিরা মহাবিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে হাজার হাজার চিনিকল শ্রমিকও বেকার হয়ে পড়েছে।’

রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি চিনিকল বন্ধের কারণে উত্তরাঞ্চলে আখের আবাদ একেবারে উঠে যাবে বলে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। তারা বলেন, ‘মারাত্মক প্রভাব পড়বে ওই অঞ্চলের পরিবেশ-প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্রের ওপরও। আখ প্রচণ্ড আঘাতসহিষ্ণু উদ্ভিদ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাব মোকাবিলায় এর সক্ষমতা অন্য ফসলের চেয়ে অনেক বেশি।’

Check Also

প্রধানমন্ত্রীর কাছে খালেদা জিয়ার আবেদন

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দু’র্নী’তির দায়ে দ’ণ্ডি’ত সা’জা স্থগিত করে মু’ক্তির মেয়াদ পূর্বের শর্তে …