আমার বাবার জানাজা আমিই পড়াতে পারবো: কুষ্টিয়ার এসপি

(১) মৌলবা’দীদের এদেশে দরকার নেই। আমার বাবার জানাজা আমি নিজেই পড়াতে পারবো। আমি চারবার কুরআন খতম করেছি। নিয়মিত নামাজ পড়ি।

সুতরাং দেশের সংবিধান মেনেই আপনাকে এদেশে থাকতে হবে। যদি সংবিধান না মানেন তাহলে আপনাদের জন্য তিনটি অপশন।

‘এক. উল্টাপাল্টা করবা হাত ভে’ঙে দেব, জে’ল খাটতে হবে। দুই. একেবারে চুপ করে থাকবেন, দেশের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস নিয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারবেন না। তিন. আপনার যদি বাংলাদেশ পছন্দ না হয়, তাহলে ইউ আর ওয়েলকাম টু গো ইউর পেয়ারা পাকিস্তান।’

(২) বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভা’ঙচুরের ঘ’টনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া মহাবিদ্যালয়ে কুমারখালী নাগরিক পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত এ সমাবেশে এসব কথা বলেন কুষ্টিয়ার পু’লিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত।

তিনি বলেন, যারা যে উদ্দেশ্যে এ ঘ’টনা ঘটিয়ে থাকুক না কেন, প্রত্যেকের বি’রুদ্ধে ক’ঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্য দল থেকে অনুপ্রবেশকারী কাউকে দলের পদ দেওয়া হলে যেসব নেতা পদ দেবেন, তাদের বি’রুদ্ধেও সংগঠন থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অসা’ম্প্রদায়িক বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো মৌলবা’দী বা দু’ষ্কৃতকারীর ঠাঁই হবে না।

(৩) কুমারখালী নাগরিক পরিষদের ব্যানারে প্র’তিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সাংসদ ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম আলতাফ।

বেলা ১১টায় কুমারখালী নাগরিক পরিষদের সভাপতি আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে প্র’তিবাদ সভা শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাংসদ সেলিম আলতাফ।

(৪) এ ছাড়া সেখানে কুমারখালী পৌরসভার মেয়র শামসুজ্জামান, মুক্তিযো’দ্ধা এ টি এম আবুল মনসুর, শিলাইদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন খান,

কুমারখালী উপজে’লা যুবলীগের সভাপতি মনির হাসান বক্তব্য দেন। তবে কয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জে’লা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলামকে প্র’তিবাদ সভায় দেখা যায়নি।

(৫) স্থানীয় লোকজন বলছেন, কয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ও ভাস্কর্য ভা’ঙচুর মা’মলার আ’সামি আনিচুর রহমান তার স’ঙ্গে রাজনীতি করেন।

ঘ’টনার দিন সকালে জিয়াউল ইসলাম যখন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন, তখনো আনিচুরকে তার স’ঙ্গে দেখা গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমারখালী উপজে’লার কয়া গ্রামে বাঘা যতীনের ভাস্কর্যটি ভা’ঙচুরের ঘ’টনা ঘটে।

(৬) এ ঘ’টনায় গত শুক্রবার বিকেলে কয়া কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ বা’দী হয়ে বিশেষ ক্ষ’মতা আইনে মা’মলা করেন।

প্রাথমিক ত’দন্তে পু’লিশ নিশ্চিত হয়েছে, আনিচুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক সরাসরি ভাস্কর্য ভা’ঙচুরে অংশ নিয়েছেন। কয়া মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের কমিটি নিয়ে দ্ব’ন্দ্বে এ ঘ’টনা ঘটানো হয়।

Check Also

বাস স্ট্যান্ডের পাশে পড়েছিল বস্তাভর্তি টাকা

নাটোরের বড়াইগ্রামে বনপাড়া বাজারে পাবনা বাস স্ট্যান্ডের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি টাকার বস্তা পাওয়া গেছে। …