আমার অনুমতি ছাড়াই বাবুর খাতনা দিছে, এটা ক্রাইম : মিম

ছোট পর্দার অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান তার ছেলে আরশ রহমানের খাতনা দিয়েছেন। তবে সাবেক স্ত্রী এবং আরশের মা মডেল মারিয়া মিমকে জানাননি বা অনুমতিও নেননি। এ ঘটনাকে ‘ক্রাইম’ হিসেবে দেখছেন মিম। এ কারণে শনিবার দিবাগত রাতে গুলশান থানায় সিদ্দিকুরের নামে একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছেন তিনি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে মিম বলেন, আমাকে সিদ্দিক ফোন দিয়ে বলল, বাবুকে আজকে দাও, একটা বিয়ের প্রোগ্রামে যাবো। আমি বললাম ওকে ফাইন। দিয়ে আসলাম বাবুকে সুন্দর করে রেডি করে। একটু আগে ফোন দিল, সাউন্ড পাচ্ছি বাবু কান্না করতেছে। আমি বললাম, কী হইছে? সিদ্দিক বলল, ওরে তো সুন্নতে খাতনা করালাম। ওহ, মাই গড, আমি জানতে পারবো না, ওরা আমার বাচ্চাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে না। সুন্নতে খাতনা করায়ে দিল এটা তো একটা ক্রাইম।

সিদ্দিকুরের প্রতি মিমের আরো অভিযোগ, বাচ্চার ভরনপোষণ দেয় না। বাচ্চাকে ডাক্তার পর্যন্ত দেখায় না। ওর বাসায় বাচ্চা সিক হয়ে গেলে আমার বাসায় পাঠায়, আমি যেন ডাক্তার দেখিয়ে দেই। বাচ্চাকে স্কুলে অ্যাডমিশন যখন করাতে

হয়, ফি দিতে হয় তখন আমাকে ফোন দেয় সিদ্দিক যেন আমি বাবুর স্কুলের ফি দিয়ে দেই। সবকিছু যখন আমাকেই দিতে হচ্ছে তখন আমি মনে করি না বাচ্চার ওপর তার কোনো রাইটস আছে। আর কোর্ট আমাকে সব বাইটস দিয়েছে, সেখানে বাচ্চার ব্যাপারে ডিসিশান নেয়ার সে কে?

২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন সিদ্দিক। ২০১৩ সালের ২৫ জুন তারা পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন। পরে ২০১৯ সালের অক্টোবরে বিবাহ বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে তাদের মধ্যে। এরপরে সন্তান আরশ রহমান মা ও বাবার কাছে আদালতের নিয়মেই থাকছিল। এর আগে শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ তোলেন মারিয়া মিম।

সে সময় মিম জানান, দাম্পত্য কলহের জেরে অনেক কিছুই তারা মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। তিনি চান শোবিজে কাজ করতে। কিন্তু সিদ্দিকের এতে আপত্তি। আর এ কারণেই বিচ্ছেদ হয় তাদের মধ্যে।

Check Also

ইশ! আজ যদি মা বেঁচে থাকতেন: দীঘি

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা দীঘি। আলোচনা- সমালোচনা নিয়েই তার ক্যারিয়ার। বরাবরই তিনি আলোচনায় থাকেন। ফের …