অনেকেই জানতে চান হিরো আলমের আয়ের উৎস কী’, এবার নিজেই জানালেন সেই গোপন কথা

সোশ্যাল মিডিয়ায় মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে হইচই ফেলা হিরো আলম এখন পুরো বাংলার মানুষের কাছে পরিচিত। শাকিব খান ও অ’পু বিশ্বা’সের মতো পশ্চিমবঙ্গে আলমকেও ষ্টেজ শো করতে দেখা গেছে। সিনেমায় অ’ভিনয় করেছেন। এছাড়া প্রযোজনা করেন সাহসী হিরো আলম নামে ছবিটি।

এটি প্রথম সপ্তাহে ৪০ টি সিনেমা হলে মুক্তি পায়। তবে সপ্তাহ না পেরুতেই বেশির ভাগ হল মালিক সিনেমাটি নামিয়ে ফেলেন। দর্শক না হওয়ার কারণ হিসেবে করো’নাকেই দুষলেন আলম। তবে প্রযোজনা করে আর্থিক ক্ষতি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ছবিটি ৪০ টি হলে মুক্তি পায়। করো’না পরিস্থিতি ঠিক হলে আবারও ১০০ টি সিনেমা হলে মুক্তির পরিকল্পনা করছি। আর ইউটিউব ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে টাকা তুলে আনতে পারবো।

নতুন ছবি প্রযোজনা করবেন কিনা জানতে চাইলে আলম বলেন, চলতি মাসেই নতুন ছবির শুটিং শুরু করার ইচ্ছে আছে। তবে আমি ঘোষণা দেবো না। শুটিং শুরুর পরে সবাই জানতে পারবেন। কারণ আমা’র পেছনে শত্রু সব সময় লেগেই থাকে।

হিরো আলম
তিনি আরও বলেন, এবার দুই নায়কের ছবি বানাবো। প্রথম সারির নায়ক নেয়া হবে। দর্শক গল্পে নতুনত্ব খুঁজে পাবেন।

নিজের আয়ের উৎস নিয়ে আলম বলেন, অনেকেই হিরো আলমের আয়ের উৎস কী’ জানতে চায়। আমি কী’ভাবে সিনেমা প্রযোজনা করি এটা জানতে চান। বগুড়ায় আমা’র ডিস লাইনের (ক্যাবল অ’পারেটর) ব্যবসা আছে। আর ষ্টেজ শো করি। এছাড়া ইউটিউব থেকে তো কিছু টাকা আসেই। এসব দেয়েই সিনেমা প্রযোজনা করছি।

এদিকে প্রথমবারের মতো গান গেয়েছেন হিরো আলম। বাবু খাইছো শিরোনামে গানটি ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে। তবে আগামীতে বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় আরও গান গাইবেন বলে জানান তিনি।

Check Also

বাড়ি তৈরির কাজ প্রসঙ্গে সংবাদে বিব্রত সানাই

‘আমার বাবা একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম)। তার নিজস্ব অর্থায়নে রংপুরে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তিতে …